English French German Italian Portuguese Russian Spanish

Related Articles

Search

অনুকরণীয় হতে পারে মুন্সি পুকুর রক্ষা আন্দোলন

Print
AddThis Social Bookmark Button

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-১১-২০১২

 

কিছুদিন আগে মুন্সি পুকুরটি ভরাটের চেষ্টা করেছিলেন এলাকার কিছু ভূমিদস্যু। পরে এ নিয়ে আন্দোলনে নামে পশ্চিম কাপাসগোলা মহল্লা কমিটি ও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন। পত্র-পত্রিকায় নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) নামে ঢাকার একটি সংগঠন শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়। এরপর পুকুর দখল, ভরাট ও ভবন নির্মাণের ওপর স্থগিতাদেশ দেন আদালত। মুন্সি পুকুর নিয়ে এই আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চট্টগ্রামের অন্যান্য জলাশয়ের ক্ষেত্রে অনুকরণীয় হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কাপাসগোলা মহল্লা কমিটির সভাপতি আবু তাহের বলেন, ‘মুন্সি পুকুর রক্ষার জন্য আমরা আইনি লড়াই করেছি। জলাশয় সুরক্ষা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আদালত পুকুর ভরাটে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। চট্টগ্রামের অন্যান্য জলাশয় রক্ষার জন্যও এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া যায়।’ জানা গেছে, এইচআরপিবি হাইকোর্টে মুন্সি পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে রিট করে। গত ১৭ জুন বিচারক নাঈমা হায়দার ও বিচারক ফরিদ আহমেদের বেঞ্চ পুকুর ভরাটের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন। এর পর গত ৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট স্থগিতাদেশের মেয়াদ ছয় মাস বাড়িয়েছেন। বাদীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মুরশিদ। এই রিটে পরিবেশ সচিব, সিটি মেয়র, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যানসহ অন্যদের বিবাদী করা হয়েছিল।

এদিকে, স্থগিতাদেশের পরও দুর্বৃত্তরা মুন্সি পুকুরে তাদের তৎপরতা বন্ধ করেনি। কিছুদিন আগে রাতের অন্ধকারে মুন্সি পুকুর পাড়ের দোকানে টিন লাগিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে পাঁচলাইশ থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রায় ৮০ শতক আয়তনের এই পুকুরটি আশপাশের ২০ হাজার মানুষ প্রতিদিন গোসল ও ধোয়ামোছার কাজে ব্যবহার করে থাকেন।

 

 

 

 


 

 

Source : Prothom ALo

| + - | RTL - LTR